সেকালের ঐতিহ্য পাঠাগার
আমার বাংলা নিজস্ব প্রতিনিধি: মোবাইলের রমরমা যুগে লাইব্রেরির গুরুত্ব কমেছে। গ্রামাঞ্চল ও শহরাঞ্চলে
পঠন-পাঠনের বা জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার একমাত্র অবলম্বন ছিল পাঠাগার-লাইব্রেরি। গ্রামাঞ্চলে এক সময়ের গর্ব ছিল লাইব্রেরি। এখন যুগের পরিবর্তন হয়েছে। আধুনিক যুগে মোবাইল বা মুঠোফোনের বাড়বাড়ন্ত। সময়ের সাথে সাথেই আধুনিক ভাবনা। অনেক কিছু অচল করে সচল হল মোবাইল ফোন। বর্তমান সময়ে পড়ার চেয়ে দেখার প্রবণতা বেড়েছে। বই,সংবাদপত্র বা পত্র-পত্রিকা পড়ার মানুষ কমেছে।
এই নিয়ে বিশেষজ্ঞমহল উদ্বেগ প্রকাশ করছেন ভবিষ্যতের কথা ভেবে। বিপন্ন ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন অনেকেই। একটা সময় বর্ধিষ্ণু গ্রামগুলির পাঠাগারে নানা ধরণের বইয়ের সম্ভার ছিল। গ্রামের শিক্ষিত মানুষদের উদ্যোগে পাঠাগার গড়ে তোলার নজিরও রয়েছে বঙ্গের মাটিতে। আজ থেকে কয়েক বছর আগেও বিবাহ সহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হতো বই। সেই চল এখন কমেছে। উপহার হিসেবে পাওয়া বই অনেকেই আবার লাইব্রেরিতে দান করেছেন এমন খবরও পাওয়া যায়।
গ্রামীণ এলাকার একটি পাঠাগার তৎকালীন সময় হয়ে উঠেছিল শিক্ষা ও জ্ঞানের একমাত্র অবলম্বন। সেই পথ চলা এখন প্রায় থেমে এসেছে। লাইব্রেরিতে বইয়ের সম্ভার থাকলেও বহু গ্রাহক এখন সে পথে হাঁটেন না।
শিক্ষা-সংস্কৃতির প্রসারে বাংলায় অনেক লাইব্রেরি বা পাঠাগার গড়ে উঠেছে। গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের শিক্ষা ও জ্ঞানের কেন্দ্রটি এখন অনেক জায়গায় অবলুপ্তির পথে চলে গিয়েছে। বহু মানুষের ভাবাবেগ জড়িত পাঠাগারে। সরকারি অনুদান পেলেও রাজ্যের অনেক জেলায় বইহীন, পাঠকহীন,কর্মচারীহীন ও ভগ্নদশায় রয়েছে সেকালের ঐতিহ্য পাঠাগার। (ছবি:সংগৃহীত)
(আপনার মতামত প্রত্যাশা রাখি)

